সিদ্ধিরগঞ্জ থানা পুলিশের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তার ও সাজা নিয়ে নানা প্রশ্ন, তদন্তের দাবি
- আপডেট সময় : ০৩:২০:৫২ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ৫১ বার পড়া হয়েছে

সিদ্ধিরগঞ্জ প্রতিনিধি:
নারায়ণগঞ্জের সিদ্ধিরগঞ্জ থানা পুলিশের মাদকবিরোধী অভিযান ও গ্রেপ্তার কার্যক্রম নিয়ে বিভিন্ন মহলে নানা প্রশ্ন ও অভিযোগ উঠেছে। বিশেষ করে অভিযানে আটক ব্যক্তিদের আদালতে পাঠানোর পর কারও স্বল্পমেয়াদি সাজা এবং কারও তুলনামূলক বেশি মেয়াদের সাজা হওয়ার বিষয়টি নিয়ে স্থানীয়দের মধ্যে আলোচনা সৃষ্টি হয়েছে।
অভিযোগ রয়েছে, বিভিন্ন সময়ে মাদক সেবন কিংবা মাদকসংক্রান্ত ঘটনায় কয়েকজনকে আটক করার পর তাদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হলেও মামলার কার্যক্রম ও আদালতে উপস্থাপনের প্রক্রিয়া নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন কেউ কেউ। অভিযোগকারীদের দাবি, একই ধরনের ঘটনায় আটক ব্যক্তিদের ক্ষেত্রে সাজা বা আইনি পরিণতিতে ভিন্নতা দেখা যাচ্ছে।
এছাড়া কিছু ক্ষেত্রে আর্থিক লেনদেনের মাধ্যমে গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের বিষয়ে নমনীয়তা দেখানো হচ্ছে—এমন অভিযোগও স্থানীয়ভাবে উঠেছে। তবে এসব অভিযোগের সত্যতা স্বাধীনভাবে যাচাই করা সম্ভব হয়নি এবং সংশ্লিষ্ট পুলিশ সদস্যদের বক্তব্যও এ প্রতিবেদনের সময় পাওয়া যায়নি।
আইনগতভাবে কোনো আসামির সাজা নির্ধারণ করার এখতিয়ার আদালতের। পুলিশ কোনো ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করে তদন্ত ও আইনানুগ প্রক্রিয়া অনুসরণ করে আদালতে সোপর্দ করতে পারে; কিন্তু সাজা কতদিন হবে, তা আদালতের বিচারিক সিদ্ধান্তের বিষয়। ফলে পুলিশ সদস্যদের বিরুদ্ধে ঘুষ গ্রহণ, মামলা প্রভাবিত করা কিংবা ইচ্ছাকৃতভাবে কোনো আসামির প্রতি বিশেষ সুবিধা দেওয়ার অভিযোগ প্রমাণের জন্য নির্ভরযোগ্য তথ্য-প্রমাণ ও যথাযথ তদন্ত প্রয়োজন।
স্থানীয় সচেতন মহলের দাবি, সিদ্ধিরগঞ্জ থানার সাম্প্রতিক মাদকবিরোধী অভিযান, গ্রেপ্তার, মামলা রুজু, আসামিদের আদালতে প্রেরণ এবং সংশ্লিষ্ট নথিপত্র যথাযথভাবে পর্যালোচনা করা হলে অভিযোগগুলোর বাস্তবতা স্পষ্ট হতে পারে।
এ বিষয়ে নারায়ণগঞ্জ জেলা পুলিশ প্রশাসনের পক্ষ থেকে নিরপেক্ষ তদন্ত করে অভিযোগের সত্যতা যাচাই এবং প্রমাণিত হলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন অভিযোগকারীরা।
তবে অভিযোগের বিষয়ে সিদ্ধিরগঞ্জ থানা পুলিশের বক্তব্য পাওয়া গেলে তা পরবর্তী প্রতিবেদনে যথাযথভাবে প্রকাশ করা হবে।



















