ঢাকা ০৪:১৭ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
সরকারি অনুদান স্কুল-মসজিদে বিতরণ করলেন এড. বারী ভূঁইয়া সিদ্ধিরগঞ্জে পুলিশের অভিযানে বিভিন্ন মামলায় ১৬ জন গ্রেপ্তার লিবিয়ায় প্রবাসীকে অস্ত্রের মুখে অপহরণ, নির্যাতনের ভিডিও দেখিয়ে ৫০ লাখ টাকা আদায়—গ্রেপ্তার ২ পবিত্র জুমার দিন আজ, শান্তি ও কল্যাণ কামনায় বিশেষ ইবাদতে মুসল্লিরা ফতুল্লায় নিষিদ্ধ ঘোষিত সংগঠনের কার্যক্রমের অভিযোগে ১৬ জন গ্রেপ্তার রূপগঞ্জে ডাকাতির ঘটনায় পাঁচজন গ্রেপ্তার, স্বর্ণালংকার ও অস্ত্র উদ্ধার পিপিএম-সেবা পদকের তালিকায় নারায়ণগঞ্জের এসপি হাবিবুর রহমান নারী কেলেঙ্কারিতে গ্রেপ্তার হয়ে জেল খাটার পরও থামেনি হোটেল শাহীনের কথিত দেহ ব্যবসা পিকআপের ধাক্কায় সিদ্ধিরগঞ্জে অটোরিকশা দুমড়েমুচড়ে, আহত ৫ সিদ্ধিরগঞ্জে জুয়েল রানার নেতৃত্বে বিক্ষোভ মিছিল ও প্রতিবাদ সমাবেশ

রাতের আঁধারে প্রেমিকার সঙ্গে দেখা করতে যাওয়াই কাল হলো শিহাবের

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৭:১১:৫১ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১ নভেম্বর ২০২৫ ৪৬ বার পড়া হয়েছে
আজকের জার্নাল অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি
339

ডেক্স রিপোর্ট :

প্রেমিকার স্বজনদের মারপিটে আহত হয়ে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ১২ দিন মৃত্যুর সঙ্গে পাঞ্জা লড়ে মারা গেছে শিহাব (১৭) নামে এক কিশোর।

শনিবার (১ নভেম্বর) সকালে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে (আইসিইউ) মৃত্যুবরণ করে সে।

এর আগে গত ২০ অক্টোবর রাত ৮টার দিকে নির্যাতনের শিকার হয় শিহাব। সে রাজশাহীর গোদাগাড়ী উপজেলার বসন্তপুর গ্রামের মিজানুর রহমান রিপনের ছেলে। চলতি বছর এসএসসি পাস করে এ কিশোর।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, শিহাব গত ২০ অক্টোবর পার্শ্ববর্তী বান্দুড়িয়া এলাকায় তার প্রেমিকার সঙ্গে দেখা করতে যায়। সে তেঁতুলতলা গেলে তার প্রেমিকার স্বজনরা তাকে তাড়া দেন। শিহাব নিজেকে রক্ষা করতে রাতের অন্ধকারে মাঠের মধ্যে দৌড় দেয়। এক পর্যায়ে সে দিক হারিয়ে অন্ধকারের মধ্যে পুকুরে ঝাঁপ দেয়। এ সময় কিছু ব্যক্তিও পুকুরে নেমে শিহাবকে মারধর শুরু করেন। এরপর তাকে পুকুর থেকে তুলে লাঠি দিয়ে বেধড়ক পেটান। পরে শিহাব জ্ঞান হারিয়ে মাটিতে ঢলে পড়লে তাকে ফেলে রেখে চলে যান হামলাকারীরা। তারপর স্থানীয় লোকজন ও পরিবারের সদস্যরা তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নেন। মাথায় গুরুত্বর আঘাত থাকায় তার জ্ঞান ফেরেনি। তাই তাকে আইসিইউতে লাইফ সাপোর্টে রাখা হয়েছিল।

শিহাবকে নির্যাতনের ঘটনায় তার বাবা রিপন গত ২৪ অক্টোবর রাতে রতন আলী (৩২), মো. কানন (২২), সুজন আলী (৩২), ইয়ার উদ্দীন (৩২), মো. শরীফ (৩৫), মো. রাব্বি (২৫), মো. হালিম (৩০) এবং মো. কলিম (৩২) নামের ৯ জনের নাম উল্লেখ করে এবং আরও ৮ থেকে ৯ জনকে অজ্ঞাত আসামি করে গোদাগাড়ী থানায় মামলা দায়ের করেন। তবে শনিবার দুপুর পর্যন্ত তাদের কাউকেই গ্রেফতার করতে পারেনি পুলিশ।

গোদাগাড়ী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোয়াজ্জেম হোসেন বলেন, ময়নাতদন্তের পর মরদেহ স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। হামলার ঘটনায় আগেই করা মামলাটি এখন হত্যা মামলায় রূপান্তর হয়েছে। আসামিদের গ্রেফতারে অভিযান চলছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

রাতের আঁধারে প্রেমিকার সঙ্গে দেখা করতে যাওয়াই কাল হলো শিহাবের

আপডেট সময় : ০৭:১১:৫১ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১ নভেম্বর ২০২৫
339

ডেক্স রিপোর্ট :

প্রেমিকার স্বজনদের মারপিটে আহত হয়ে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ১২ দিন মৃত্যুর সঙ্গে পাঞ্জা লড়ে মারা গেছে শিহাব (১৭) নামে এক কিশোর।

শনিবার (১ নভেম্বর) সকালে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে (আইসিইউ) মৃত্যুবরণ করে সে।

এর আগে গত ২০ অক্টোবর রাত ৮টার দিকে নির্যাতনের শিকার হয় শিহাব। সে রাজশাহীর গোদাগাড়ী উপজেলার বসন্তপুর গ্রামের মিজানুর রহমান রিপনের ছেলে। চলতি বছর এসএসসি পাস করে এ কিশোর।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, শিহাব গত ২০ অক্টোবর পার্শ্ববর্তী বান্দুড়িয়া এলাকায় তার প্রেমিকার সঙ্গে দেখা করতে যায়। সে তেঁতুলতলা গেলে তার প্রেমিকার স্বজনরা তাকে তাড়া দেন। শিহাব নিজেকে রক্ষা করতে রাতের অন্ধকারে মাঠের মধ্যে দৌড় দেয়। এক পর্যায়ে সে দিক হারিয়ে অন্ধকারের মধ্যে পুকুরে ঝাঁপ দেয়। এ সময় কিছু ব্যক্তিও পুকুরে নেমে শিহাবকে মারধর শুরু করেন। এরপর তাকে পুকুর থেকে তুলে লাঠি দিয়ে বেধড়ক পেটান। পরে শিহাব জ্ঞান হারিয়ে মাটিতে ঢলে পড়লে তাকে ফেলে রেখে চলে যান হামলাকারীরা। তারপর স্থানীয় লোকজন ও পরিবারের সদস্যরা তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নেন। মাথায় গুরুত্বর আঘাত থাকায় তার জ্ঞান ফেরেনি। তাই তাকে আইসিইউতে লাইফ সাপোর্টে রাখা হয়েছিল।

শিহাবকে নির্যাতনের ঘটনায় তার বাবা রিপন গত ২৪ অক্টোবর রাতে রতন আলী (৩২), মো. কানন (২২), সুজন আলী (৩২), ইয়ার উদ্দীন (৩২), মো. শরীফ (৩৫), মো. রাব্বি (২৫), মো. হালিম (৩০) এবং মো. কলিম (৩২) নামের ৯ জনের নাম উল্লেখ করে এবং আরও ৮ থেকে ৯ জনকে অজ্ঞাত আসামি করে গোদাগাড়ী থানায় মামলা দায়ের করেন। তবে শনিবার দুপুর পর্যন্ত তাদের কাউকেই গ্রেফতার করতে পারেনি পুলিশ।

গোদাগাড়ী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোয়াজ্জেম হোসেন বলেন, ময়নাতদন্তের পর মরদেহ স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। হামলার ঘটনায় আগেই করা মামলাটি এখন হত্যা মামলায় রূপান্তর হয়েছে। আসামিদের গ্রেফতারে অভিযান চলছে।