ডেমরা সাব-রেজিস্ট্রি অফিসে ‘অতিরিক্ত টাকা’ ছাড়া দলিল রেজিস্ট্রি হয় না—অভিযোগ
- আপডেট সময় : ০২:০৩:০৬ অপরাহ্ন, শনিবার, ১২ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ৮৪ বার পড়া হয়েছে

সাব-রেজিস্ট্রার জাহাঙ্গীর আলম ও সহযোগী সাজুর বিরুদ্ধে নানা অভিযোগ, তদন্তের দাবি
নিজস্ব প্রতিবেদক | ঢাকা
ঢাকার ডেমরা সাব-রেজিস্ট্রি অফিসে জমি ও সম্পত্তির দলিল নিবন্ধনকে কেন্দ্র করে অনিয়ম, হয়রানি এবং সরকারি ফির বাইরে অতিরিক্ত অর্থ আদায়ের অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগের কেন্দ্রে রয়েছেন ডেমরা সাব-রেজিস্ট্রার মুহাম্মদ জাহাঙ্গীর আলম এবং তার সঙ্গে থাকা সাজু নামের এক সহযোগী।
স্থানীয় ভুক্তভোগী, দলিল লেখক ও সংশ্লিষ্টদের অভিযোগ, নির্ধারিত সরকারি ফি পরিশোধের পরও বিভিন্ন নামে অতিরিক্ত টাকা দিতে হয়। টাকা দিতে অনাগ্রহ দেখালে দলিলে নানা ত্রুটি দেখিয়ে সময়ক্ষেপণ কিংবা সেবাগ্রহীতাকে হয়রানির অভিযোগও রয়েছে।
ওয়েবে প্রকাশিত একাধিক প্রতিবেদনে ডেমরা সাব-রেজিস্ট্রি অফিসে ‘সিন্ডিকেট’ কার্যক্রম, দলিলপ্রতি অতিরিক্ত অর্থ আদায় এবং সেবাগ্রহীতাদের ভোগান্তির অভিযোগ উঠে এসেছে। একটি প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে, অফিসের কর্মকর্তা-কর্মচারী ও দলিল লেখকদের একটি অংশকে ঘিরে অতিরিক্ত অর্থ আদায়ের ব্যবস্থা গড়ে উঠেছে।
আরেক প্রতিবেদনে অভিযোগ করা হয়, দলিল নিবন্ধনের ক্ষেত্রে ‘অফিস খরচ’, ‘সেরেস্তা খরচ’সহ বিভিন্ন অজুহাতে সরকারি ফির বাইরে টাকা নেওয়া হচ্ছে। একই প্রতিবেদনে সাব-রেজিস্ট্রার জাহাঙ্গীর আলম ও সাজুসহ একটি চক্রের কাছে সেবাগ্রহীতারা জিম্মি—এমন অভিযোগও তুলে ধরা হয়েছে।
এর আগেও ডেমরা সাব-রেজিস্ট্রার অফিসের বিরুদ্ধে ঘুষ দাবির অভিযোগে দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) এনফোর্সমেন্ট টিম অভিযান পরিচালনা করেছিল। ২০২২ সালের ওই অভিযানে দলিল লেখক ও সেবাগ্রহীতাদের বক্তব্য নেওয়া হয় এবং সরকারি ফির অতিরিক্ত অর্থ আদায়ের অভিযোগের বিষয়ে তথ্য সংগ্রহ করা হয়েছিল।
তদন্তের দাবি
সচেতন নাগরিক ও ভুক্তভোগীদের দাবি, ডেমরা সাব-রেজিস্ট্রি অফিসে প্রকৃতপক্ষে সরকারি ফির বাইরে কোনো অর্থ আদায় হচ্ছে কি না, হলে কার নির্দেশে বা কার মাধ্যমে আদায় হচ্ছে—তা খতিয়ে দেখতে সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ ও দুর্নীতি দমন কমিশনের মাধ্যমে নিরপেক্ষ তদন্ত করা প্রয়োজন।
অভিযোগের বিষয়ে সাব-রেজিস্ট্রার জাহাঙ্গীর আলম ও সাজুর বক্তব্য পাওয়া গেলে তা পরবর্তী প্রতিবেদনে প্রকাশ করা হবে।
দৈনিক সময়ের দিগন্তের অনুসন্ধান অব্যাহত থাকবে।


















