ঢাকা ০২:৩৬ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
সরকারি অনুদান স্কুল-মসজিদে বিতরণ করলেন এড. বারী ভূঁইয়া সিদ্ধিরগঞ্জে পুলিশের অভিযানে বিভিন্ন মামলায় ১৬ জন গ্রেপ্তার লিবিয়ায় প্রবাসীকে অস্ত্রের মুখে অপহরণ, নির্যাতনের ভিডিও দেখিয়ে ৫০ লাখ টাকা আদায়—গ্রেপ্তার ২ পবিত্র জুমার দিন আজ, শান্তি ও কল্যাণ কামনায় বিশেষ ইবাদতে মুসল্লিরা ফতুল্লায় নিষিদ্ধ ঘোষিত সংগঠনের কার্যক্রমের অভিযোগে ১৬ জন গ্রেপ্তার রূপগঞ্জে ডাকাতির ঘটনায় পাঁচজন গ্রেপ্তার, স্বর্ণালংকার ও অস্ত্র উদ্ধার পিপিএম-সেবা পদকের তালিকায় নারায়ণগঞ্জের এসপি হাবিবুর রহমান নারী কেলেঙ্কারিতে গ্রেপ্তার হয়ে জেল খাটার পরও থামেনি হোটেল শাহীনের কথিত দেহ ব্যবসা পিকআপের ধাক্কায় সিদ্ধিরগঞ্জে অটোরিকশা দুমড়েমুচড়ে, আহত ৫ সিদ্ধিরগঞ্জে জুয়েল রানার নেতৃত্বে বিক্ষোভ মিছিল ও প্রতিবাদ সমাবেশ

কাঁচপুর ভূমি অফিসে জাল দলিল এবং জাল দলিলের খারিজ হয় ভূমি অফিস মানেই একটি আতঙ্কের নাম

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ১২:৫৪:২৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৫ নভেম্বর ২০২৫ ৪৪ বার পড়া হয়েছে
আজকের জার্নাল অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি
274

নিজস্ব প্রতিবেদক:নারায়ণগঞ্জ সোনারগাঁ ,কাঁচপুর ইউনিয়নে এমন কোন লোক নেই যাদের জায়গা জমি সামান্ন্য,পরিমান আছে তাদের ভূমি অফিসের সাথে যোগাযোগ করতে হয় না। এটাই স্বাভাবিক। কিন্তু আমাদের দেশের যে সরকার আসুক না কেন ভূমি অফিস সবসময়ের জন্যই আতঙ্কের আরেক নাম।

এখানে কাগজপত্র খারিজ, দলিল,পর্চা, সিএস,আরএস নিয়ে ঝংকার লেগেই থাকে। অফিস কর্মকর্তারাই টাকার জন্য ঝটিলতা তৈরি করে , আবার টাকা নিয়েই ঝটিলতা থেকে মুক্ত করে। এরা জাল দলিলে ও খারিজ করতে সক্ষম।

তারই ধারাবাহিকতায় আজ বলছি কাঁচপুর ইউনিয়ন ভূমি অফিসের কথা। ভূমি অফস ইউনিয়ন ভূমি অফিসের কর্মকর্তা( নায়েব)(মাহববুল আলম) ইউিনয়ন ভিম সহকারী ওমরা হজ্বের জন্য সৌদি তে আছেন।নারায়নগঞ্জ জেলার সোনার গা থানার কাচপুর ইউনিয়ন ভূমি অফিসের নামে রয়েছে অনেক অনিয়ম ও দূর্নীতি।এখানের কর্মকর্তা ওমরা করার জন্য অনুপস্থিত থাকায় নায়েব এর দায়িত্বে যিনি আছেন তাহার ব্যবহার এতই জঘন্য যাহা ভাষায় প্রকাশ করার মত নয়। তিনি কাউকে পরোয়া করে কথা বলে না।তিনি এখনকার ভারপ্রাপ্ত মো:সাদ্দাম হোসেন,তার কথার স্বর অন্যরকম। তিনি নিজেকে অনেক বড় মাপের কোন ব্যক্তি বা অফিসার মনে করেন। এমন কি সাংবাদিকরা তার কাছে ২ মিনিটের জন্য সময় চাইলে তখন তিনি ব্যস্ত দেখান, কাজের অজুহাত দেখান, এবং গুনগুন করে অকথ্য ভাষা ব্যবহার করেন।।তিনি ফালতু সময় দিতে পারবেনা বলেন।তিনি কিন্তু জাল দলিলের খারিজ করেন। কয়েকজন দালাল আছেন যার নাম বাদসা,এবং প্রতিবন্দী একজন মুরব্বি। হাত কাটার নাম মাসুদ জাল দলিল করা এবং সংগ্রহ করে লক্ষ লক্ষ টাকা হাতিয়ে নিচ্ছে। খারিজের জন্য কর্মকর্তার কাছে নিয়ে আসে।গত ০৯/১১/২৫ তারিখে ও একটা জাল দলিল খারিজ করার জন্য নেয়। নাম প্রকাশের অনিচ্ছুক একজন ব্যক্তি, যিনি জামাতের অঙ্গ সংগঠনের সাথে জড়িত তিনিও দীর্ঘ বছর ধরে এই কাচপুর ভূমি অফিসের সাথে কাজ নিয়ে ঝুলে আছে।

তিনি আরো বলেন, এখানের কাজকর্ম জঘন্য খারাপ টাকা ছাড়া কোন কাজ করে না এবং কোন কাগজপত্র দ্রুতভাবে ফয়সালা করে না, বছরকে বছর ঝুলিয়ে রাখে।এছাড়াও এলাকার কয়েকজন মুরব্বির সাথে আলাপ করলেও তারা এমন কথাই বলেন। আরো বলেন এখানে ভূমি কর্মকর্তা ওমরার জন্য গিয়েছেন ওমরা করার টাকা হালাল কিনা এমনও প্রশ্ন তুলছেন অনেক ভুক্তভোগী । তারা স্বীকার করেন সঠীক কাজ পাওয়ার জন্য নীরবে সহ্য করে বছর বছর ঘুরছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য

কাঁচপুর ভূমি অফিসে জাল দলিল এবং জাল দলিলের খারিজ হয় ভূমি অফিস মানেই একটি আতঙ্কের নাম

আপডেট সময় : ১২:৫৪:২৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৫ নভেম্বর ২০২৫
274

নিজস্ব প্রতিবেদক:নারায়ণগঞ্জ সোনারগাঁ ,কাঁচপুর ইউনিয়নে এমন কোন লোক নেই যাদের জায়গা জমি সামান্ন্য,পরিমান আছে তাদের ভূমি অফিসের সাথে যোগাযোগ করতে হয় না। এটাই স্বাভাবিক। কিন্তু আমাদের দেশের যে সরকার আসুক না কেন ভূমি অফিস সবসময়ের জন্যই আতঙ্কের আরেক নাম।

এখানে কাগজপত্র খারিজ, দলিল,পর্চা, সিএস,আরএস নিয়ে ঝংকার লেগেই থাকে। অফিস কর্মকর্তারাই টাকার জন্য ঝটিলতা তৈরি করে , আবার টাকা নিয়েই ঝটিলতা থেকে মুক্ত করে। এরা জাল দলিলে ও খারিজ করতে সক্ষম।

তারই ধারাবাহিকতায় আজ বলছি কাঁচপুর ইউনিয়ন ভূমি অফিসের কথা। ভূমি অফস ইউনিয়ন ভূমি অফিসের কর্মকর্তা( নায়েব)(মাহববুল আলম) ইউিনয়ন ভিম সহকারী ওমরা হজ্বের জন্য সৌদি তে আছেন।নারায়নগঞ্জ জেলার সোনার গা থানার কাচপুর ইউনিয়ন ভূমি অফিসের নামে রয়েছে অনেক অনিয়ম ও দূর্নীতি।এখানের কর্মকর্তা ওমরা করার জন্য অনুপস্থিত থাকায় নায়েব এর দায়িত্বে যিনি আছেন তাহার ব্যবহার এতই জঘন্য যাহা ভাষায় প্রকাশ করার মত নয়। তিনি কাউকে পরোয়া করে কথা বলে না।তিনি এখনকার ভারপ্রাপ্ত মো:সাদ্দাম হোসেন,তার কথার স্বর অন্যরকম। তিনি নিজেকে অনেক বড় মাপের কোন ব্যক্তি বা অফিসার মনে করেন। এমন কি সাংবাদিকরা তার কাছে ২ মিনিটের জন্য সময় চাইলে তখন তিনি ব্যস্ত দেখান, কাজের অজুহাত দেখান, এবং গুনগুন করে অকথ্য ভাষা ব্যবহার করেন।।তিনি ফালতু সময় দিতে পারবেনা বলেন।তিনি কিন্তু জাল দলিলের খারিজ করেন। কয়েকজন দালাল আছেন যার নাম বাদসা,এবং প্রতিবন্দী একজন মুরব্বি। হাত কাটার নাম মাসুদ জাল দলিল করা এবং সংগ্রহ করে লক্ষ লক্ষ টাকা হাতিয়ে নিচ্ছে। খারিজের জন্য কর্মকর্তার কাছে নিয়ে আসে।গত ০৯/১১/২৫ তারিখে ও একটা জাল দলিল খারিজ করার জন্য নেয়। নাম প্রকাশের অনিচ্ছুক একজন ব্যক্তি, যিনি জামাতের অঙ্গ সংগঠনের সাথে জড়িত তিনিও দীর্ঘ বছর ধরে এই কাচপুর ভূমি অফিসের সাথে কাজ নিয়ে ঝুলে আছে।

তিনি আরো বলেন, এখানের কাজকর্ম জঘন্য খারাপ টাকা ছাড়া কোন কাজ করে না এবং কোন কাগজপত্র দ্রুতভাবে ফয়সালা করে না, বছরকে বছর ঝুলিয়ে রাখে।এছাড়াও এলাকার কয়েকজন মুরব্বির সাথে আলাপ করলেও তারা এমন কথাই বলেন। আরো বলেন এখানে ভূমি কর্মকর্তা ওমরার জন্য গিয়েছেন ওমরা করার টাকা হালাল কিনা এমনও প্রশ্ন তুলছেন অনেক ভুক্তভোগী । তারা স্বীকার করেন সঠীক কাজ পাওয়ার জন্য নীরবে সহ্য করে বছর বছর ঘুরছে।