ঢাকা ০৫:০৪ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১১ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁয়ে মেঘনা নদীতে ট্রলারডুবির ঘটনায় নিখোঁজের দুই দিন পর একই পরিবারের তিন ভাই-বোনের মরদেহ উদ্ধার নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লায় এক মহিলা মাদ্রাসার ছাদে খেলাধুলা করার সময় বিদ্যুৎস্পৃষ্টে ৫ ছাত্রী দগ্ধ হয়েছেন ফতুল্লার সস্তাপুরে মাদক বিক্রিতে রাজি না হওয়ায় হোসিয়ারি শ্রমিককে মারধরের অভিযোগ ফতুল্লায় বিএনপির সমাবেশ ও বিক্ষোভ মিছিল বন্দরে মাদক ও চাঁদাবাজির অভিযোগে ‘ব্ল্যাক জনি’ ডিবির হাতে আটক নিষিদ্ধ সংগঠনের সন্ত্রাস ও সহিংসতার প্রতিবাদে আড়াইহাজারে বিএনপির বিক্ষোভ সমাবেশ বন্দরে দিনদুপুরে স্বর্ণের দোকানে দুর্ধর্ষ ডাকাতি, এক যুবক গ্রেপ্তার রিয়াদ চৌধুরীকে শুভেচ্ছা জানাল নবগঠিত বক্তাবলী ইউনিয়ন শ্রমিকদল দেখার কেউ নেই! হলিল্যাব মেডিকেল সেন্টারের বিরুদ্ধে কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগ কথিত সাংবাদিক রুমার ইয়াবা সেবনের ভিডিও ভাইরাল, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তোলপাড়

দেখার কেউ নেই! হলিল্যাব মেডিকেল সেন্টারের বিরুদ্ধে কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগ

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৩:০৪:১২ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ১৮ বার পড়া হয়েছে
আজকের জার্নাল অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি
21

আকাশ চৌধুরী, ক্রাইম রিপোর্টার

গাজীপুর সিটি কর্পোরেশনের জয়দেবপুর থানাধীন শিববাড়ি মোড় এলাকার হলিল্যাব মেডিকেল সেন্টার লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) আব্দুল্লাহ আল মামুনের বিরুদ্ধে শেয়ার বিক্রির নামে সাধারণ মানুষের কাছ থেকে কয়েক কোটি টাকা নেওয়া, বিনিয়োগের অর্থ ফেরত না দেওয়া এবং প্রতিষ্ঠানটি গোপনে অন্যত্র বিক্রির চেষ্টা করার অভিযোগ উঠেছে।

অভিযোগকারীদের দাবি, প্রতিষ্ঠানটির পরিচালক মোবারক ভূঁইয়া ও পরিচালক আসিয়ার রহমান লিমনসহ সংশ্লিষ্টদের মাধ্যমে বিভিন্ন ব্যক্তি ওই প্রতিষ্ঠানে অর্থ বিনিয়োগ করেন। তাদের মধ্যে মানবাধিকারকর্মী আনোয়ারা বেগমের প্রয়াত স্বামী এম এ হান্নানের বিনিয়োগ করা ২৬ লাখ টাকাও রয়েছে বলে অভিযোগ করা হয়েছে।

অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, ২০২০ সালের ১ সেপ্টেম্বর ১০০ টাকার তিনটি স্ট্যাম্পে ব্যবসায়িক চুক্তির মাধ্যমে এম এ হান্নানের কাছ থেকে ২০ লাখ টাকা গ্রহণ করা হয়। পরবর্তীতে একই বছরের ১ অক্টোবর আরও ৬ লাখ টাকা গ্রহণ করা হয়। দুটি চুক্তিতেই হলিল্যাব মেডিকেল সেন্টারের পক্ষে ব্যবস্থাপনা পরিচালক আব্দুল্লাহ আল মামুন এবং পরিচালকদের উপস্থিতি ও স্বাক্ষর ছিল বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে। সব মিলিয়ে এম এ হান্নানের ২৬ লাখ টাকা বিনিয়োগ করা হয় বলে দাবি করা হয়েছে।

এম এ হান্নান ২০২৩ সালের ২৩ আগস্ট মারা যাওয়ার পর তার স্ত্রী আনোয়ারা বেগম ওই বিনিয়োগের অর্থ ও মুনাফা পাওয়ার দাবি করেন। অভিযোগকারীর ভাষ্য অনুযায়ী, প্রথম দিকে তাকে মাসে প্রায় ১৫ থেকে ২০ হাজার টাকা করে দেওয়া হলেও গত ৮-৯ মাস ধরে কোনো অর্থ দেওয়া হচ্ছে না।

আনোয়ারা বেগমের দাবি, তিনি দীর্ঘদিন ধরে ক্যান্সারে আক্রান্ত এবং অর্থের অভাবে প্রয়োজনীয় চিকিৎসা চালিয়ে যেতে পারছেন না। স্বামীর বিনিয়োগ করা ২৬ লাখ টাকা ফেরত চাইলে তাকে বিভিন্ন সময় টাকা দেওয়ার আশ্বাস দেওয়া হলেও এখন পর্যন্ত তা পরিশোধ করা হয়নি।

এদিকে আনোয়ারা বেগমের অভিযোগ, হলিল্যাব মেডিকেল সেন্টারটি প্রায় ৪ কোটি টাকায় অন্যত্র বিক্রি করার প্রক্রিয়া চলছে। তার আশঙ্কা, প্রতিষ্ঠানটি বিক্রি হয়ে গেলে তার স্বামীর বিনিয়োগ করা অর্থসহ অন্য বিনিয়োগকারীদের টাকাও ফেরত পাওয়া কঠিন হয়ে পড়তে পারে। পাশাপাশি আইনের আশ্রয় নিলে তাকে ও তার পরিবারের সদস্যদের হয়রানি এবং প্রাণনাশের হুমকি দেওয়া হচ্ছে বলেও অভিযোগ করেছেন তিনি।

এ ঘটনায় আইনি সহায়তা চেয়ে আনোয়ারা বেগম জাতীয় পরিবেশ মানবাধিকার সোসাইটি (জাপমাস)-এর কাছে লিখিত অভিযোগ করেছেন বলে জানা গেছে। অভিযোগের ভিত্তিতে গত ৯ আগস্ট ২০২৬ তারিখে সংগঠনটির পক্ষ থেকে হলিল্যাব মেডিকেল সেন্টারের এমডি আব্দুল্লাহ আল মামুন, পরিচালক মোবারক ভূঁইয়া ও পরিচালক আসিয়ার রহমান লিমনের কাছে নোটিশ পাঠানো হয়েছে বলে অভিযোগকারী জানিয়েছেন।

এছাড়া ২৬ লাখ টাকা উদ্ধারের দাবিতে গাজীপুরের পুলিশ সুপার, গাজীপুরের পুলিশ কমিশনার এবং র‌্যাব-১-এর অধিনায়কের কাছেও লিখিত অভিযোগ পাঠানো হয়েছে বলে জানা গেছে।

অভিযোগের বিষয়ে হলিল্যাব মেডিকেল সেন্টারের পরিচালক মোবারক ভূঁইয়ার সঙ্গে কথা হলে তিনি আনোয়ারা বেগমের অভিযোগের সত্যতা স্বীকার করেন বলে প্রতিবেদককে জানান। তিনি বলেন, এম এ হান্নান ২৬ লাখ টাকা বিনিয়োগ করেছিলেন—এটি সত্য। তার দাবি, তিনি নিজেও বিভিন্ন ব্যক্তির কাছ থেকে প্রায় ১ কোটি ১০ লাখ টাকা এনে এমডি আব্দুল্লাহ আল মামুনকে দিয়েছিলেন। ওই অর্থ বিনিয়োগকারীদেরও ফেরত দেওয়া হচ্ছে না বলে তিনি দাবি করেন।

পরিচালক আসিয়ার রহমান লিমনও এম এ হান্নানের ২৬ লাখ টাকা বিনিয়োগের বিষয়টি সত্য বলে দাবি করেন। একই সঙ্গে হাসপাতালটি অন্যত্র বিক্রির প্রক্রিয়া চলছে বলেও তিনি জানিয়েছেন বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।

অভিযোগের বিষয়ে হলিল্যাব মেডিকেল সেন্টারের এমডি আব্দুল্লাহ আল মামুনের বক্তব্য জানতে যোগাযোগ করা হলে তিনি এম এ হান্নানের ২৬ লাখ টাকা বিনিয়োগের বিষয়টি সত্য বলে স্বীকার করেন বলে প্রতিবেদক জানান। তবে ওই টাকা কেন আনোয়ারা বেগমকে দেওয়া হচ্ছে না—এ বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি ফোনের সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে দেন। পরবর্তীতে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তার মুঠোফোন বন্ধ পাওয়া যায়।

অভিযোগের সত্যতা, বিনিয়োগকারীদের অর্থ ফেরত এবং প্রতিষ্ঠান বিক্রির বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের তদন্তের দাবি জানিয়েছেন আনোয়ারা বেগম। তার স্বামীর বিনিয়োগ করা ২৬ লাখ টাকা এবং অন্যান্য বিনিয়োগকারীদের অর্থ উদ্ধারে দ্রুত আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন তিনি।

তবে অভিযোগগুলোর বিষয়ে কোনো আদালতের রায় বা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের চূড়ান্ত তদন্তের তথ্য এই প্রতিবেদনে পাওয়া যায়নি। ফলে অভিযোগের বিষয়গুলো তদন্তের মাধ্যমে যাচাই হওয়া প্রয়োজন।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

দেখার কেউ নেই! হলিল্যাব মেডিকেল সেন্টারের বিরুদ্ধে কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগ

আপডেট সময় : ০৩:০৪:১২ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬
21

আকাশ চৌধুরী, ক্রাইম রিপোর্টার

গাজীপুর সিটি কর্পোরেশনের জয়দেবপুর থানাধীন শিববাড়ি মোড় এলাকার হলিল্যাব মেডিকেল সেন্টার লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) আব্দুল্লাহ আল মামুনের বিরুদ্ধে শেয়ার বিক্রির নামে সাধারণ মানুষের কাছ থেকে কয়েক কোটি টাকা নেওয়া, বিনিয়োগের অর্থ ফেরত না দেওয়া এবং প্রতিষ্ঠানটি গোপনে অন্যত্র বিক্রির চেষ্টা করার অভিযোগ উঠেছে।

অভিযোগকারীদের দাবি, প্রতিষ্ঠানটির পরিচালক মোবারক ভূঁইয়া ও পরিচালক আসিয়ার রহমান লিমনসহ সংশ্লিষ্টদের মাধ্যমে বিভিন্ন ব্যক্তি ওই প্রতিষ্ঠানে অর্থ বিনিয়োগ করেন। তাদের মধ্যে মানবাধিকারকর্মী আনোয়ারা বেগমের প্রয়াত স্বামী এম এ হান্নানের বিনিয়োগ করা ২৬ লাখ টাকাও রয়েছে বলে অভিযোগ করা হয়েছে।

অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, ২০২০ সালের ১ সেপ্টেম্বর ১০০ টাকার তিনটি স্ট্যাম্পে ব্যবসায়িক চুক্তির মাধ্যমে এম এ হান্নানের কাছ থেকে ২০ লাখ টাকা গ্রহণ করা হয়। পরবর্তীতে একই বছরের ১ অক্টোবর আরও ৬ লাখ টাকা গ্রহণ করা হয়। দুটি চুক্তিতেই হলিল্যাব মেডিকেল সেন্টারের পক্ষে ব্যবস্থাপনা পরিচালক আব্দুল্লাহ আল মামুন এবং পরিচালকদের উপস্থিতি ও স্বাক্ষর ছিল বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে। সব মিলিয়ে এম এ হান্নানের ২৬ লাখ টাকা বিনিয়োগ করা হয় বলে দাবি করা হয়েছে।

এম এ হান্নান ২০২৩ সালের ২৩ আগস্ট মারা যাওয়ার পর তার স্ত্রী আনোয়ারা বেগম ওই বিনিয়োগের অর্থ ও মুনাফা পাওয়ার দাবি করেন। অভিযোগকারীর ভাষ্য অনুযায়ী, প্রথম দিকে তাকে মাসে প্রায় ১৫ থেকে ২০ হাজার টাকা করে দেওয়া হলেও গত ৮-৯ মাস ধরে কোনো অর্থ দেওয়া হচ্ছে না।

আনোয়ারা বেগমের দাবি, তিনি দীর্ঘদিন ধরে ক্যান্সারে আক্রান্ত এবং অর্থের অভাবে প্রয়োজনীয় চিকিৎসা চালিয়ে যেতে পারছেন না। স্বামীর বিনিয়োগ করা ২৬ লাখ টাকা ফেরত চাইলে তাকে বিভিন্ন সময় টাকা দেওয়ার আশ্বাস দেওয়া হলেও এখন পর্যন্ত তা পরিশোধ করা হয়নি।

এদিকে আনোয়ারা বেগমের অভিযোগ, হলিল্যাব মেডিকেল সেন্টারটি প্রায় ৪ কোটি টাকায় অন্যত্র বিক্রি করার প্রক্রিয়া চলছে। তার আশঙ্কা, প্রতিষ্ঠানটি বিক্রি হয়ে গেলে তার স্বামীর বিনিয়োগ করা অর্থসহ অন্য বিনিয়োগকারীদের টাকাও ফেরত পাওয়া কঠিন হয়ে পড়তে পারে। পাশাপাশি আইনের আশ্রয় নিলে তাকে ও তার পরিবারের সদস্যদের হয়রানি এবং প্রাণনাশের হুমকি দেওয়া হচ্ছে বলেও অভিযোগ করেছেন তিনি।

এ ঘটনায় আইনি সহায়তা চেয়ে আনোয়ারা বেগম জাতীয় পরিবেশ মানবাধিকার সোসাইটি (জাপমাস)-এর কাছে লিখিত অভিযোগ করেছেন বলে জানা গেছে। অভিযোগের ভিত্তিতে গত ৯ আগস্ট ২০২৬ তারিখে সংগঠনটির পক্ষ থেকে হলিল্যাব মেডিকেল সেন্টারের এমডি আব্দুল্লাহ আল মামুন, পরিচালক মোবারক ভূঁইয়া ও পরিচালক আসিয়ার রহমান লিমনের কাছে নোটিশ পাঠানো হয়েছে বলে অভিযোগকারী জানিয়েছেন।

এছাড়া ২৬ লাখ টাকা উদ্ধারের দাবিতে গাজীপুরের পুলিশ সুপার, গাজীপুরের পুলিশ কমিশনার এবং র‌্যাব-১-এর অধিনায়কের কাছেও লিখিত অভিযোগ পাঠানো হয়েছে বলে জানা গেছে।

অভিযোগের বিষয়ে হলিল্যাব মেডিকেল সেন্টারের পরিচালক মোবারক ভূঁইয়ার সঙ্গে কথা হলে তিনি আনোয়ারা বেগমের অভিযোগের সত্যতা স্বীকার করেন বলে প্রতিবেদককে জানান। তিনি বলেন, এম এ হান্নান ২৬ লাখ টাকা বিনিয়োগ করেছিলেন—এটি সত্য। তার দাবি, তিনি নিজেও বিভিন্ন ব্যক্তির কাছ থেকে প্রায় ১ কোটি ১০ লাখ টাকা এনে এমডি আব্দুল্লাহ আল মামুনকে দিয়েছিলেন। ওই অর্থ বিনিয়োগকারীদেরও ফেরত দেওয়া হচ্ছে না বলে তিনি দাবি করেন।

পরিচালক আসিয়ার রহমান লিমনও এম এ হান্নানের ২৬ লাখ টাকা বিনিয়োগের বিষয়টি সত্য বলে দাবি করেন। একই সঙ্গে হাসপাতালটি অন্যত্র বিক্রির প্রক্রিয়া চলছে বলেও তিনি জানিয়েছেন বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।

অভিযোগের বিষয়ে হলিল্যাব মেডিকেল সেন্টারের এমডি আব্দুল্লাহ আল মামুনের বক্তব্য জানতে যোগাযোগ করা হলে তিনি এম এ হান্নানের ২৬ লাখ টাকা বিনিয়োগের বিষয়টি সত্য বলে স্বীকার করেন বলে প্রতিবেদক জানান। তবে ওই টাকা কেন আনোয়ারা বেগমকে দেওয়া হচ্ছে না—এ বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি ফোনের সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে দেন। পরবর্তীতে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তার মুঠোফোন বন্ধ পাওয়া যায়।

অভিযোগের সত্যতা, বিনিয়োগকারীদের অর্থ ফেরত এবং প্রতিষ্ঠান বিক্রির বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের তদন্তের দাবি জানিয়েছেন আনোয়ারা বেগম। তার স্বামীর বিনিয়োগ করা ২৬ লাখ টাকা এবং অন্যান্য বিনিয়োগকারীদের অর্থ উদ্ধারে দ্রুত আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন তিনি।

তবে অভিযোগগুলোর বিষয়ে কোনো আদালতের রায় বা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের চূড়ান্ত তদন্তের তথ্য এই প্রতিবেদনে পাওয়া যায়নি। ফলে অভিযোগের বিষয়গুলো তদন্তের মাধ্যমে যাচাই হওয়া প্রয়োজন।